চার বছরে সাইবার হামলা বেড়েছে ৫০ ভাগ

গত চার বছরে দেশের ব্যাংকিং ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে সাইবার আক্রমণ বেড়েছে ৫০ ভাগেরও বেশি। বাংলাদেশ কম্পিউটার ইনসিডেন্টে রেসপন্স টিম বলছে, সবচেয়ে বেশি হ্যাকিংয়ের ঝুঁকিতে আছে দেশের ব্যাংকগুলো এবং পরিচয়পত্র তৈরির কার্যালয়। সাইবার হ্যাকিং প্রতিরোধে সতর্কতার পাশাপাশি সব খাত নিয়ে সমন্বিত পরিকল্পনার তাগিদ বিশ্লেষকদের।

 

বিশ্বজুড়ে প্রতিনিয়ত ঘটছে সাইবার হামলার ঘটনা। এই সাইবার হামলার ঘটনায় বাদ নেই বাংলাদেশও। ২০১৬ সালে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিস্টেম হ্যাকিং করে চুরি হয় আট কোটি দশ লাখ ডলার। কয়েকটি ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকেও কার্ড জালিয়াতি এবং হ্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অর্থ উত্তোলন করা হয়।

 

কম্পিউটার ইনসিডেন্টে রেসপন্স টিম বলছে, ২০১৭ সালে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে মোট ৬৮৩ বার হ্যাকিংয়ের চেষ্টা হয়। ২০২০ সালে তা বেড়ে দাড়ায় এক হাজার ৫৪ তে। হ্যাকারদের সবচেয়ে বড় টার্গেট ছিলো দেশের ব্যাংকগুলো। এরপরই রয়েছে পরিচয়পত্র তৈরি কার্যালয়।

 

বিদেশের ব্যাংকগুলো সাইবার নিরাপত্তায় একটা বড় অংকের টাকা খরচ করলেও দেশে এই খাতে ব্যয় অনেক কম। তবে স্বল্প সক্ষমতা নিয়েই কর্মীদের সতর্কতায় সাইবার হ্যাকিং প্রতিরোধ করা হচ্ছে, জানালেন ব্যাংকাররা।

 

হ্যাকাররা প্রতিনিয়তই সাইবার হামলার পদ্ধতি পরিবর্তন করছে। তাই কর্মকর্তাদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ, সফটওয়্যারের আপডেট ভার্সন ব্যবহার ও নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলার পরামর্শ বিশ্লেষকদের।

 

বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ম্যাকাও, চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার হ্যাকাররা সবচেয়ে বেশি হামলা চালিয়ে থাকে, জানিয়েছে কম্পিউটার ইনসিডেন্টে রেসপন্স টিম।

সূত্রঃ ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন
আরও পড়ুন